সুন্দরবন দিবস ২০২৩ কবে | সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য ২০২৩

সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য ২০২৩

আপনি কি সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য ২০২৩ বা সুন্দরবন দিবস ২০২৩ কবে সম্পর্কে জানেন? সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য সম্পর্কে জানতে এবং সুন্দরবন দিবসের শুভেচ্ছা সম্পর্কে জানতে এই প্রতিবেদনটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

সুন্দরবন বিশ্বের অন্যতম একটা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ১৪ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় সম্মেলন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিভিন্ন রকম আয়োজনের মাধ্যমে সুন্দরবন দিবস পালন করা হয়ে থাকে এবং সকলে এই সুন্দরবন দিবসের দিন একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকে, তাই চলুন আজকে আমরা জেনে নেই সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য ও শুভেচ্ছা সম্পর্কে।

দেশের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে জাতীয় সুন্দরবন দিবস পালন করা হয়ে থাকে আমাদের দেশে, প্রতিবছর অনেকে সুন্দরবন দিবস সম্পর্কে প্রতিপাদ্য লেখে এবং সুন্দরবন দিবসের শুভেচ্ছা জানায়, আপনি যদি সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য এবং শুভেচ্ছা সম্পর্কে জেনে থাকেন তাহলে অবশ্যই এই প্রতিপাদ্যটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

আরও পড়ুন – বাংলা লেখালেখি করে অনলাইন থেকে টাকা আয়

সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য | সুন্দরবন দিবস ২০২৩ কবে

প্রিয় পাঠক আপনি কি জানেন সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য বলতে কি বুঝায় ? যদি না জেনে থাকেন তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক এই সুন্দরবন দিবসের মুল প্রতিপাদ্য আসলে কি, ১৪ ফেব্রুয়ারি কি দিবস? ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে কি দিবস?

আজ সুন্দরবন দিবস? সুন্দরবন দিবস কবে পালিত হয়? সুন্দরবন দিবস কত তারিখ? বিশ্ব সুন্দরবন দিবস কত তারিখ? ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সুন্দরবন দিবস পালিত হয়, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সুন্দরবন দিবস পালন করা হয়ে থাকে এই দিনে ।

এবারের সুন্দরবন দিবসের জন্য প্রতিপাদ্য হলো” বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে সুন্দরবনকে ভালবাসুন”। এই প্রতিপাদ্যটি নিয়ে সুন্দরবন ঘেরা জেলাগুলোতিই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। ২০০১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশর পরিবেশ আন্দোলনের এর আওতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা সেচ্ছাসেবী সংগঠন রুপান্তর পরশ এর উদ্যোগে করা হয়। এরপর ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই দিনটি দেশের সুন্দরবন দিবস হিসেবে পালন করা হয় ।

প্রত্যেক বছর এই দিনে একটি করে প্রতিপাদ্য ঘোষণা করে দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। ২০২২ সালে সুন্দরবন দিবসের জন্য প্রতিপাদ্য ছিল “ বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে আপনারা সুন্দরবনকে ভালবাসুন “। এতক্ষণে আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন যে সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য আসলে কি।

সুন্দরবন দিবসের শুভেচ্ছা

আপনাদের সবাইকে সুন্দরবন দিবসের শুভেচ্ছা রইল। ১৪ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন দিবসকে ভালোবাসা দিয়ে পরিপূর্ণ করুন। সুন্দরবনের সঙ্গে ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে রয়েছে আমাদের দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের গোটা পরিবেশ।

পরিবেশবাদী পক্ষ থেকে সুন্দরবন ও এর বৈচিত্র রক্ষার জন্য সমন্বনিতভাবে ১৮ দফা প্রস্তাবনা ঘোষণা ও বাস্তবায়নে সরকারিভাবে কাযকর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য ২০০১ সালে আহ্বান জানানো হয়। ১৮ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে আমাদের এই সুন্দরবনের জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানো।

জাতীয় প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত রয়েল বেঙ্গল টাইগার রক্ষার জন্য অনতিবিলম্বে বাঘ, হরিণ সহ সুন্দরবনের সব ধরনের প্রাণী হত্যা করা বন্ধ ও যাবতীয় বেআইনি কাযকলাপ বন্ধ করতে হবে। সবশেষে সবাইকে সুন্দরবন দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।

আরও পড়ুন – ফ্রিল্যান্সিং করে আয়

সুন্দরবন নিয়ে উক্তি

আপনি কি সুন্দরবন নিয়ে কিছু সুন্দর সুন্দর উক্তি শুনতে চান। তাহলে অবশ্যই এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। এই পর্বে আমাদের আলোচনা থাকবে সুন্দরবন নিয়ে কিছু উক্তি সমূহ। চলুন তাহলে দেখে নেই সুন্দরবন নিয়ে কিছু উক্তি।

1. সুন্দরবন যেমন প্রকৃতির নিয়ম মানতে জানে আবার প্রয়োজন পড়লে সেই নিয়ম ভাঙতে ও জানে।

2.সুন্দরবন এ ঘুরতে গেলে অনেক কিছু শেখা যায় দেহ, মন ভালো হয়ে ওঠে এবং নিজের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করা যায়।

3. সুন্দরবন তার মায়াবি প্রকৃতি দিয়ে আমাদেরকে ভরিয়ে তোলে কিন্তু আমরা সেই সুন্দরবনকে অযত্ন এবং অবহেলা দিয়ে ধ্বংস করে চলেছি।

4.সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সেীন্দয এমন একটা অমূল্য উপহার আমাদের জন্য যার প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা বলে শেষ করা যায় না।

5. সবকিছুই কৃত্রিম সুন্দরবনের প্রকৃতি আর এটি একমাত্র ঈশ্বরের তৈরী তার নিজস্ব শিল্প যার আছে অপরুপ সেীন্দর্য।

6. আকাশ, বন, সমভূমি, নদী, পর্র্বত, সমুদ্র এবং পশু, পাখি, গাছপালা এই সমস্ত নিয়ে হলো সুন্দরবন তৈরী হয়েছে।

সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থান

আপনি কি সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন মনে মনে ? তবে চলুন জেনে নেয়া যাক সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থান গুলো সম্পর্কে। বিশ্বের সবচেয়ে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট বনাঞ্চল গুলোর মধ্যে একটি হলো আমাদের এই সুন্দরবন। বনটি বঙ্গোপসাগরের উপকূল অঞ্চলে অবস্থিত এবং একটি প্রশস্ত বনভূমি নিয়ে গঠিত যা বিশ্বের অন্যতম একটি।

সুন্দরবনের দর্র্শনাথীর পক্ষে এই পুরো সুন্দরবন ঘুরে দেখা সম্ভব না হলেও বিশেষ কিছু দর্শনীয় স্থান আছে যেগুলো তারা ঘুরে দেখতে পারে। কারণ এসব স্থান গুলো তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বহন করে এবং তার নিজস্ব বৈচিত্র্য। তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে জেনে নেওয়া যাক সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থান এর নাম ও বিবরন সমূহ.

সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থানঃ কচিখালি

মংলা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই কচিখালি স্থানটি। সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে এটি একটি দর্শনীয় স্থান। পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে কচিখালি সমুদ্র সৈকতে এবং বন বিভাগের স্টেশন পর্যন্ত আপনি পায়ে হেঁটে যেতে পারবেন।

এই পথের পাশে আছে ঘনঘন বন যেখানে প্রায়ই দেখতে পাওয়া যায় বাঘ , হরিণ , বানর , বিষধর সাপ, শুকর ইত্যাদি। কচিখালি প্রধান আর্কষণটি হলো সেখানকার সমুদ্র সৈকত। যে সৈকতের মাঝে আছে নিরিবিলি সুন্দর একটা পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যা মুগ্ধ করবে সবাইকে। তাছাড়াও এখানে মাঝে মধ্যে বাঘের গর্জন শুনতে পাওয়া যায় যা প্রত্যেকটি পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।

সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থানঃ কটকা

সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে আরও একটি স্থান হলো কটকা। কটকা সুন্দরবনের দক্ষিণ পূর্ব কোণে অবস্থিত একটি জায়গা। মংলা বন্দর থেকে প্রায় ৯০ কি.মি. দূরে অবস্থিত আমাদের সুন্দরবনের প্রধান কেন্দ্র। যেখানে আপনি নৌকায় ভ্রমন করতে পারবেন এবং সবচেয়ে কাছ থেকে উপভোগ করতে পারবেন সুন্দরবনের আসল প্রকৃতিক সৌন্দর্য।

ছোট ছোট খালের দুই ধার দিয়ে দেখা যায় অসংখ্যা টিত্রা হরিণ মুক্তভাবে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। মাঝে মধ্যে আপনারা রাজকীয় ভঙ্গিতে বাঘের গর্জনও শুনতে পাবেন। বড় বড় যেসব পর্যবেক্ষণ টাওয়ার গুলো আছে সেখান থেকে দেখা যায় বন্য প্রানীর অপূর্ব দৃশ্য এবং বাঘের হরিণ শিকার করার দৃশ্য যা পর্যটকদের আকৃষ্ট করে দেয়।

সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থানঃ হাড়বাড়িয়া

মংলা বন্দর থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই হাড়বাড়িয়া। অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দয এই স্থানের প্রধান আকষণ বলা যায়। এখানে কাঠের তৈরি ২টা ট্রেইলসহ গোলাঘর আছে যার একটি পুকুর সংলগ্ন ও কাঠের তৈরি পুলও রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে নানান প্রজাতির পশু ,পাখি, গাছপালাসহ বিভিন্ন রকম উদ্ভিদের সমারোহ।

সুন্দরবনের দর্শনীয় স্থানঃ দুবলার চর

সুন্দরবনের সর্ব দক্ষিণে এই দুবলার চর অবস্থিত। বঙ্গোপসাগরের কোলে অবস্থিত এই দ্বীপটি মংস্য আহরণ ও প্রক্রিয়াজাত করণের জন্য এক ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। দুবলার চরে প্রতিবছর বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষেরা অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে এখানে ঘরবাড়ি তৈরি করে বসবাস করে এবং সাগর মাছ ধরে।

পরবর্তীতে তারা এটি প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে সুলভমূল্যে বিক্রি করে। আপনি যদি বনের মংস্য সম্পদ সম্পর্কে ধারনা পেতে চান তাহলে দুবলার চর তার জন্য সর্বোংকৃষ্ট স্থান। এছাড়াও দুবলার চরে গেলে দেখতে পাবেন সমুদ্র সৈকতের অপরুপ দৃশ্য।

সুন্দরবন দিয়ে কিছু বাক্য

সুন্দরবন দিয়ে কিছু বাক্য জানতে চাচ্ছেন কি আপনি? সুন্দরবন হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত। সুন্দরবনের অপরুপ সৌন্দযের কাছে তার অজানা রহস্য ও গৌরবময় ইতিহাসের বাক্য গুলো খুবই সামান্য। তবে এই বাক্যগুলো আপনার প্রয়োজন হতে পারে কোনোকোনো সময়। তবে চলুন জেনে নেই সুন্দরবন দিয়ে বাক্য গুলো।

১. আমাদের এই সুন্দরবনের চারপাশ দিয়ে বসবাস করে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ।

২. বাংলাদেশের সুন্দরবনটি বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত।

৩. সুন্দরবন হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম অন্যতম ম্যানগ্রোভ বন।

৪. সুন্দরবনের আয়তন ৬০১৭ কিলোমিটার (৬২%)।

৫. বাংলাদেশের সুন্দরবনের মোট আয়তন ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।

৬. বাংলাদেশের সুন্দরবনে মোট ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ আছে।

৭. সুন্দরবনের নামকরণ করা হয়েছে সুন্দরবনের সুন্দরী নামের একটি গাছের নাম অনুসারে।

৮. খুলনা , সাতক্ষীরা , বাগেরহাট, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলা হতে শুরু করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জেলা উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জুড়ে আমাদের এই সুন্দরবনটি অবস্থিত।

৯. সমুদ্র উপকূলে নোনা পরিবেশ নিয়ে তৈরী হয়েছে সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন যা বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখন্ড বনভূমি।

সুন্দরবন দৃশ্য

আপনি কি সুন্দরবনের সুন্দর দৃশ্যগুলো দেখতে চান? সুন্দরবনের দৃশ্য গুলো দেখতে এই পোস্টটি একটু মনোযোগ সহকারে দেখে নিন। বাংলাদেশের সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন এবং এটি লবাণক্ত বনাঞ্চল। বাংলাদেশের সুন্দরবনের মোট আয়তন হলো ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার। খুলনা , সাতক্ষীরা , বাগেরহাট , পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলা নিয়ে বাংলাদেশের সুন্দরবনটি অবস্থিত। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক সুন্দরবন সুন্দর সুন্দর কিছু দৃশ্য,

সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য ২০২৩
সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য ২০২৩
সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য ২০২৩
সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য ২০২৩
সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য ২০২৩
সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য ২০২৩

সুন্দরবন দিবসের শুভেচ্ছার কিছুঃ শেষ কথা

প্রিয় পাঠক এতক্ষণে আপনি নিশ্চয়ই সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য এবং সুন্দরবন দিবসের শুভেচ্ছা সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পেরেছেন। এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনি আরো বুঝতে পারবেন সুন্দরবন দিবসের প্রতিপাদ্য সম্পর্কে , সুন্দরবন দিবসের শুভেচ্ছা , সুন্দরবন নিয়ে উক্তি , সুন্দরবন দর্শনীয় স্থান , সুন্দরবন দিয়ে বাক্য, সুন্দরবন দৃশ্য সম্পর্কে।

আজকের পর্বটি শেষে আপনার যদি কোন মতামত থেকে তাহলে অবশ্যই আপনার মতামতটি কমেন্ট করে জানাবেন এবং আজকের পর্বটি ভালো লাগলে অব্যশই শেয়ার করবেন আপনার প্রিয় মানুষদের কাছে।

You May Also Like

About the Author: banglait24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *